Saturday, 21 May, 2022

বৈশাখের কবিতা : সরদার ফারুক

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

১লা বৈশাখে

যাত্রাদলের সন্ন্যাসী সেজে কী করে বলব আমি
ডান হাত তুলে, “সকলের ভালো হোক! বছরের এই দিনে
সবার মনের ইচ্ছে পূর্ণ হোক তবে।”
আমি কি মেরির পুত্র, না কি চৈতন্য প্রভুর ছায়া—
অতখানি ক্ষমাশীল!
ধর্ষক, মিথ্যুক, খুনিদের ভালো চাইবো কী করে?

যারা আজ অপরের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে পৈশাচিক নৃত্য করে,
যারা মানুষকে অপমান করে সুখী—
তাদের জন্য শুধু সীমাহীন ঘৃণা, অবিমিশ্র অভিশাপ!

উৎসব

ঢোলটা বাজাও জোরে, খানিকটা নাচ হয়ে যাক
আজ আমাদের অবাধ উৎসব
কোনো ভয় নেই, সামনে পুলিশ, পেছনে পুলিশ…
মুখোশেও কিছুটা সুবিধা, কেউ চিনবে না
আহা, শাড়িতে তোমাকে মানিয়েছে বেশ
হাসো, গান গাও, শাঁখ বাজালেও বিপদ কীসের?
সামনে পুলিশ, পেছনে পুলিশ, মাননীয় বলেছেন…
কী আনন্দে ফুলে ওঠে বুক!

মন্তব্য, এখানে...
Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email
সরদার ফারুক

সরদার ফারুক

জন্ম ১৯৬২ সালের ৯ নভেম্বর। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের কাশিপুর। পেশায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি নব্বইয়ের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক। ১৯৮০ সাল থেকেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন। প্রকাশিত কবিতার বই—‘আনন্দ কোথায় তুমি’, ‘পড়ে আছে সমুদ্র গর্জন’, ‘উন্মাদ ভূগোল’, ‘দীপালি অপেরা’, ‘ও সুদূর বীজতলা’, ‘মঠের গম্বুজ’, ‘দূরের জংশন’, ‘অন্যদের তর্কে ঢুকে পড়ি’, ‘খেলছে একা নীল বিভঙ্গ’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘গির্জার ঘণ্টার মতো উদাসীন’, ‘সিংহাসনের ছায়া’, ‘যূথিকা নার্সারি’, ‘ওঁ মধু, ওঁ শাশ্বত পরাগ’, ‘দিন কাটে পালকের শোকে’, ‘দ্বিতীয় সংসার’, ‘দাসীর বাজারে’। একটি গল্পগ্রন্থ ‘নোনা শহর’।