Author: বদরুজ্জামান আলমগীর

নাট্যকার, কবি, অনুবাদক। জন্মেছিলেন ভাটি অঞ্চল কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে। পড়াশোনা বাজিতপুরে, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অনেক বছর দেশের বাইরে- যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় থাকেন। বাঙলাদেশে নাটকের দল- গল্প থিয়েটার- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য; নাট্যপত্রের সম্পাদক। নানা পর্যায়ে আরও সম্পাদনা করেছেন- সমাজ ও রাজনীতি, দ্বিতীয়বার, সাংস্কৃতিক আন্দোলন, পূর্ণপথিক, মর্মের বাণী শুনি, অখণ্ডিত। প্যানসিলভেনিয়ায় কবিতার প্রতিষ্ঠান- সংবেদের বাগান-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। প্রকাশিত বই: আখ্যান নাট্য: নননপুরের মেলায় একজন কমলাসুন্দরী ও একটি বাঘ আসে। কবিতা: পিছুটানে টলটলায়মান হাওয়াগুলির ভিতর। আখ্যান নাট্য: আবের পাঙখা লৈয়া। প্যারাবল: হৃদপেয়ারার সুবাস। কবিতা: নদীও পাশ ফেরে যদিবা হংসী বলো। ভাষান্তরিত কবিতা: ঢেউগুলো যমজ বোন। কবিতা : দূরত্বের সুফিয়ানা।

অন্যান্য সাহিত্যে যেমন বাঙলা সাহিত্যেও কবিতা গদ্যের পূর্ববর্তী। জন্মসূত্রে অগ্রজ খালি নয়, জন্মদান সূত্রেও কবিতা গদ্যের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে। বাঙলাদেশে কবিতার আশা আর দুরাশার দিক হচ্ছে তার এই সংখ্যাধিক্য। মোটামুটি এই প্রক্রিয়ায় আশান্বিত থাকা যায় যে, সাফল্য না এলে এতো কবিতা রচনা করা সম্ভবপর হতো না। অন্যদিকে হতাশার কারণ থেকে যায় এভাবে যে, সাহিত্য যদি একটা পরিচর্যা ও মনীষার বিষয় হয়, তাহলে মেধাহীন, শ্রমহীন অজস্র মিল অমিলের এই পয়ারগুলি কী সবই কবিতা? বমি করতে কষ্ট হয়, সন্তান প্রসবের যন্ত্রণা আরো অনেক বেশি, কিন্তু বিপুল হেলাফেলায় বেরিয়ে আসছে অগুণতি কবিতা- যাতে রক্তপাত ও ক্ষরণের তেমন কোন চিহ্ন নেই। “কবিতা তো…

পড়ুন