Author: সুস্মিতা চক্রবর্তী

কবি, শিক্ষক ও গবেষক। অধ্যাপনা করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগে। সম্পাদনা করেছেন নারীবাদী পত্রিকা চন্দ্রাবতী। তাঁর জন্ম কিশোরগঞ্জে; ২১ অক্টোবর, ১৯৭৪ সাল। প্রকাশিত গ্রন্থ: ফোকলোর ও জেন্ডার : লোক ঐতিহ্যে পিতৃতন্ত্র ও নারীর স্বতন্ত্র স্বর (প্রবন্ধ), খোঁয়াড়েরর মেয়ে (কবিতা), ও নীল বিচ্ছেদ বড় ভালোবাসিলাম (কবিতা), অরুন্ধতী রায়ের অকুপাই ওয়াল স্ট্রীট (অনুবাদ)।

‘বাউল’ শব্দটির ঢিলেঢালা অর্থও আছে, যে অর্থে আমরা চট করে কাউকে বাউল/বাউলা মানুষ হিসেবে শনাক্ত করতে পারি। বিষয়ীভাবনার বাইরে যিনি একটু পাগলাটে বা ক্ষেপাটে বা উদাসীন সেরকম কাউকে আমরা সাধারণত ‘বাউল’ বলে ফেলি যারা ভাবের ঘোরে নিশিদিন মত্ত হয়ে থাকেন। এখানে ‘বাউল’ একটা দৃষ্টিভঙ্গি মাত্র। কিন্তু যারা গুরু পরম্পরাক্রমে বাউল-ধর্ম-সাধনার সাথে যুক্ত তাদের কাছে ‘বাউল’ শব্দটির তাৎপর্য এর চাইতে বেশি কিছু। শব্দটি নিয়ে গবেষকদের নানা মত থাকলেও সাধারণভাবে বাউল শব্দের এই অর্থের সাথে প্রায় সকলেই একমত হবেন: ‘বা’ মানে বাতাস আর ‘উল’ মানে অনুসন্ধানকারী। আর বাউল-ফকিরিসাধনার সাথে যুক্ত সকলেই মানবেন যে, অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি সাধকেরা বাতাসেরই অনুসন্ধান করেন প্রধানত…

পড়ুন